Breaking News
Home / মিডিয়া নিউজ / ‘কারো সংসার নষ্ট করার আগে ভাবা উচিত আপনিও একজন মেয়ে’

‘কারো সংসার নষ্ট করার আগে ভাবা উচিত আপনিও একজন মেয়ে’

হঠাৎ করেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুঞ্জন, জনপ্রিয় অভিনেতা শ্যামল মাওলার সংসার ভাঙনের সুর বাজছে।এমন গুঞ্জনের জন্য অভিনেতা শ্যামলের

সহধর্মিণী মডেল মাহা শিকদারের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দায়ী।জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এক চিত্রনায়িকার বিরুদ্ধে সংসার ভাঙার অভিযোগ

এনে স্ট্যাটাস দিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন শ্যামলের স্ত্রী মাহা।১৩ সেপ্টেম্বর রাতে মাহা নিজের ফেসবুকে ওই নায়িকার নাম উল্লেখ করে লেখেন, ‘কারো সংসার নষ্ট করার আগে ভাবা উচিৎ আপনিও একজন মেয়ে।’কিন্তু এর কিছুক্ষণ পর সেই স্ট্যাটাস তিনি মুছে দেন।

সাংবাদিকদের একরকম হুঁশিয়ারি দিয়ে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন মাহা। লেখেন, ‘কি আজব..! কারও জন্য কোনো কিছু লেখা যাচ্ছে না। আমি আমার হাজব্যান্ডকে নিয়ে কোনো অভিযোগ করিনি। আগে যেনে পরে কিছু লিখবেন জার্নালিস্ট ভাইয়ারা। আমরা আপনাদের দোয়াতে ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।’

যদিও মাহার এই স্ট্যাটাসের পর গুঞ্জন থামেনি। তবে কেন এক অভিনেত্রীর দিকে আঙুল তুলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন- সে প্রশ্নের জবাবও মিলেনি তার কাছ থেকে।

তবে তিনি জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি। তাদের সংসার ভাঙনের বিষয়টি গুঞ্জন নয় গুজব।

তিনি বলেন, ‘ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমরা ভালো আছি। শ্যামলের রান্না করে শুটিং স্পটে খাবার নিয়ে যাচ্ছি। আমরা একসঙ্গেই আছি।’

একইরকম জবাব এসেছে অভিনেতা শ্যামলের কাছ থেকেও। সংসার ভাঙনের তথ্য পুরোটাই গুজব দাবি করে এ অভিনেতা বলেন,‘আমরা বেশ ভালো আছি। এরকম কিছুই ঘটেনি। পুরো বিষয়টি ভুল বোঝাবোঝি। আমি শুটিং সেটে আছি। মাহার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ও একটু পরে আমার সেটে আসবে তার হাতের রান্না নিয়ে। সবার কাছে দোয়া চাই যেন আমরা সুখে জীবন কাটাতে পারি।’

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্যামল-মাহার সংসার ভাঙার গুঞ্জনটি ভাইরাল হয়ে গেছে। অনেকের প্রশ্ন, এক নায়িকাকে দোষী করে কেন ওই পোস্ট দিয়েছিলেন মাহা? সেই পোস্টের রহস্য কি?

প্রসঙ্গত, চুটিয়ে প্রেম করে বেশ ঘটাকরে বন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেতা শ্যামল মাওলা ও মডেল মাহা শিকদার। গত বছরের ১০ অক্টোবর তারা বিয়ে করেন।

About Thopon Ahmed

Check Also

নির্জন সৈকতে সাইফের সঙ্গে কাটছে কারিনার জন্মদিন

বলিউডের লাস্যময়ী অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন কারিনা কাপুর খান। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *